নিজের গলার হার বিক্রি করেও বই কিনতে হয়েছে!

নিজের গলার হার বিক্রি করেও বই কিনতে হয়েছে!

নিজের গলার হার বিক্রি করেও বই কিনতে হয়েছে!

 

ওয়েব ডেস্কঃ” বাবা-মা’র আমায় বই কিনে দেওয়ার সামার্থ ছিলনা। যা করেছি নিজেই করেছি। যতটা পেরেছি নিজের চেষ্টায়। এমনকি এমনও কঠিন সময় গেছে যে নিজের গলার হার বিক্রি করেও বই কিনতে হয়েছে।” সম্প্রতি তারকেশ্বরে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগপ্রবন হয়ে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ছোটবেলার স্মৃতিতে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায় উঠে আসে ছোটবেলার প্রসঙ্গ।  বর্তমান পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলনা টানেন তাঁর ছাত্রীবস্থার সময়ের সাথে। পড়াশুনা এবং জীবন নিয়ে সেসময়ে তাঁর সংগ্রামের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” আপনাদের জন্যই কাজ করি, একটা রাস্তা খারাপ চোখে পরলে টাকা না থাকলেও বলি একটু দেখে নে। সবতো একদিনে সম্ভব নয় তবে চেষ্টা করি যাতে আস্তে আস্তে সাড়িয়ে তোলা যায়।  “অনেক কাজ হয়েছে, যেটুকু বাকি আছে আস্তে আস্তে হবে। একবারে কি সব হয় ? কিছুই তো ছিল না।” নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, “ছোটোবেলায় আমার খুব সাইকেল চড়তে ইচ্ছে করত। কিন্তু আমার মা-বাবা আমাকে একটি সাইকেল কিনে দিতে পারেনি। আমার মা-বাবা যখন আমাকে বই কিনে দিতে পারেনি আমি নিজে গলার হার বিক্রি করে পড়াশোনা করেছি। কারোর কাছে ভিক্ষে চাইনি। আমরা কোনও সুযোগ পাইনি। আমি এগুলি জীবন দিয়ে দেখেছি বলেই বলছি, যেন আমার ভাই-বোনেরা এই সমস্যায় না পড়ে। তারা যেন ভালো থাকে, তারা যেন খুব সুন্দর থাকে।”

তিনি আরও বলেন, “যাদের স্কুলের ব্যাগ বা বই নেই, তাদের স্কুল ডিপার্টমেন্টকে কিনে দিতে বলেছি। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকে ছেলেমেয়েরা আগে নম্বর পেত না। ষাট, সত্তর বা আশি। এখন ৯০, ৯৫, ৯৬ পায়। আমাদের ছেলে-মেয়েরাও আন্তর্জাতিক কম্পিটিশনে যাচ্ছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা যদি নম্বর বেশি না পায় ওরা কী করে মেডিকেলে সুযোগ পাবে? ওরা কী করে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চান্স পাবে। এইসব আমি খুব ভাবি। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন।”

 

 

24 Ghanta Khobor News Desk

Related Posts

leave a comment

Create Account



Log In Your Account



error: Content is protected !!